আদিকাল থেকেই মানুষের চুল নিয়ে গবেষণার শেষ নেই। চুল নিয়ে বিব্রত থাকতে হয়েছে অনেককে অনেক সময়। কি করে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা যায়, চুলের সুন্দর আকার দেওয়া যায়- এসব ভাবনা কিন্তু সবসময়ই ছিল। সুমেরু সভ্যতার ললনারা বিশেষ করে উচ্চ সম্প্রদায়ের সুন্দরীগণের কাছে বড় চুলই ছিল সৌন্দর্যের প্রতীক। তারা চুলে স্বর্ণরেণু ব্যবহার করতেন, নাম না জানা হলুদ সুগন্ধীও চুলে মাখতেন। এছাড়াও মেহেদী ব্যবহারে চুল কাঁচা করে বয়স ঢেকে রাখার চেষ্টা সব দেশেই ছিল। রোম সাম্রাজ্যের বিস্তৃতকালে যেসব যুদ্ব বন্দিনীর চুলের রং ছিল স্বর্ণালী তাদের মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হত। পরে লোহার আঁকশিতে চুলকে কিছুদিন জড়িয়ে রাখার পর যখন চুল জট পাকিয়ে কোঁকড়া মত হত তখন তা এক ধরনের হলুদ সাবান (সম্ভবত মেহেদী) দিয়ে কাঁচা করা হত। এরপর এই সোনালী পরচুলা পরে স্ত্রীরা স্বামীদের কাছে নিজেদের আকষর্ণীয় করে তুলতো।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ